Thursday, 7 January 2021

ইলামবাজার। গৌরাঙ্গ মন্দির। হাটতলা

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2243511282446744&id=100003636821328কিছু বলছিনা।
নীল বোর্ড আছে - কিন্তু 
আর কি বলব। কাকে 
এই মন্দির নিয়ে তো অনেক প্রশ্ন। 
বলব অন্য কোন সময়। 
আছে অসামান্য টেরাকোটা র কাজ। 
ইলামবাজার গৌরাঙ্গ মন্দির 
কি ভাবে ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাচ্ছে। 
হায়রে   আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক উদাসীনতা

তেপান্তর সাংস্কৃতিক উৎসব

হয়তো তেপান্তর এ আসছেন।  পানাগড় স্টেশন এ নেমেছেন। ছোট্ট স্টেশন। একটু চোখ বুলিয়ে নিন।  মনে করুন সেই১৮৫৫ সাল। এই রেল পথেই প্রথম রেল গাড়ি চলেছিল। হাওড়া- রানীগঞ্জ।স্টেশন - পানাগড়। ' পানাগড় ' নিজেই এক বড় গল্পকথা। তার গড়ে ওঠার ইতিহাস। যাইহোক বাসস্টপ এ আসুন। দুর্গাপুর- বোলপুর বাসে চাপুন।সবচেয়ে ভালো  দার্জিলিং মোড় এ চলে আসুন। পানাগড় - মোরগ্রাম হাইওয়ে। স্টেট  বাসে চাপুন।১১ মাই ল স্টপেজ এ নামবেন।মজার নাম। কি বলুন।এগারো মাইল। পানাগড় থেকে এগারো মাইল দূরে।   পানাগড় পার হয়ে কিছু পরেই জংগল শুরু। ধোবারুর জংগল। আর একটা নাম ; সাত কাটার জংগল।  এক সময়  তো চোর ডাকাত ঠ্যাঙারে দের উৎপাত ছিল ই আবার জঙ্গলে র মধ্যে আছে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের কিছু স্মৃতি চিহ্ন।জংগল এর  ভিতর  পশ্চিম দিকে গ্রাম গাড়াদহ; রাজ কুসুম । কি সুন্দর নাম বলুন রাজকুসুম। পুবে গ্রাম ধোবারু।সব নামের মানে আছে।ইতিহাস লুকিয়ে আছে। এরপর গ্রাম ত্রিলোকচন্দ্রপুর। বর্ধমানের রাজার নামে।দোমড়া। সুন্দিয়ারা।প্যারীগঞ্জ। বর্ধমানের এক রানী র নামে। তেলিপাড়া। বেলডাঙা।আবার একটু জংগল। মাজুরিয়া- রঘুনাথপুর ব্রাহ্মণ গ্রাম। তারপর ১১ মাইল।সে এখন এক গঞ্জ। পানাগড় থেকে ১১ মাইল দূরে।সেই ১১ মাইল।  অনেক গল্প আছে। আসুন তেপান্তর এ।
আসছেন না কি ৮ - ৯ - ১০ জানু য়ারী ২০২১ তেপান্তর সাংস্কৃতিক উৎসবে। 
আসুন। থাকুন। ঠান্ডা বেশ জমিয়ে পড়েছে। 
 উপভোগ করতে পারবেন। 
 আসুন নতুন বছরে একসাথে সবাই মিলে একটু 
 আনন্দ করি। 
 আমার সাথে বসে এই এলাকার কথা ও কাহিনী 
 শোনার যদি অবসর হয় -

সকলকে ২০২১ এর প্রীতি । শুভেচ্ছা। ভালোবাসা।

Wednesday, 6 January 2021

গাণ্ডাদহ। গাঁড়াদহ। থানা কাঁকসা। প বর্ধমান।

হারিয়ে তো যাবেই। 
 দিন গুনছে। 
আজ হোক আর কাল। 
 রক্ষা কি করা যেতনা 
 যেত বৈ কি 
 কিন্তু কি  হবে একে রক্ষা করে 
 অথচ একদিন ছিল 
 এগুলি ই আমাদের সব গাঁ ঘরের 
 অলংকার 
ঝোঁপ ঝাড় গুলো কে ও পরিষ্কার 
 করে দিতে বড় গা য়ে বাজে 
 তার চেয়ে বরং ওর দেয়ালে ঘুঁটে দিই 
 
 এক প্রবীন বললেন ' কার গরজ '
 গাণ্ডাদহ। এখনকার গাঁড়াদহ গ্রাম
 পানাগড় থেকে ইলামবাজারের দিকে যাচ্ছেন 
 জঙ্গল শুরু হল। ধোবারুর জঙ্গল 
 ' সাত কাটার জঙ্গল ' ও বলে লোকে 
 চোর ডাকাত ঠ্যাঙাড়ে দের উৎপাত তো 
 ছিল সে একসময় 
 তবে সে অনেক দিন আগের কথা 
 আছে যেমন থাকে অনেক গল্পকথা 
 জঙ্গলের গা য়ে গা লাগিয়ে সুন্দর গ্রাম
সম্পন্ন কৃষকেরা আছেন 
হিন্দু মুসলমানের মিলিত বাস 
 সুন্দর এক আদিবাসী পাড়া
 শান্ত নিরিবিলি জীবন 

 সেখানের এক বিষ্ণু দালান 
 শেষ বিকেল  সন্ধ্যা নেমে আসছে 
 না  বাজবে না কোন শাঁখ এর চাতালে

গালা শিল্পী সেখ ইউসুফ। সুরুল। শ্রীনিকেতন

আজ না হয় একটু অন্য কথা বলি
 বেশ ভালো লাগলো আজ। 
বীরভূম আর্টিজানি আমন্ত্রণ জানিয়েছিল 
 এক দক্ষ গালা শিল্পী আগ্রহীদের হাতে কলমে কাজ শেখাবেন। এই ওয়ার্কশপ চলবে ৭ তারিখ পর্যন্ত। আজ ছিল উদ্বোধনী দিন। 
স্থান সুরুল। শ্রীনিকেতন। গালা শিল্পী সেখ ইউসুফ আলী। কাজ শিখেছেন তাঁর গুরু ইলামবাজারের  
 অজিত গুঁই মশাই এর কাছে। 
 আহা কি সুন্দর তাঁর হাতের কাজ। বিকেল পর্যন্ত 
 দেখলাম। আমার সাথে ছিলেন আরেক শিল্পী 
 বিধান বিশ্বাস বাবু এবং শিল্প শিক্ষার্থী বেশ কিছু 
 ছেলে মেয়ে। কেউ কলাভবনে র মাস্টারস করা। 
 কেউ বাটিক নিয়ে কাজ করে। বাটিকের মাষ্টার মশাই  সিউড়ি র যুবক অভিষেক সেনগুপ্ত। শুনলাম 
 শীঘ্রই বাটিকের দেশ ইন্দোনেশিয়া এবং সিংহল 
 যাচ্ছে। আরও ভালো কাজ দেখার শেখার জন্য। 
বেশ গুণী ছেলেমেয়ে সব। ভালো লাগে এদের সাহচর্য। এরাই ভবিষ্যৎ। আমি এদেরই জয়গান গাই। 
 
ইলামবাজার স্কুলে পড়তে গেছি। পিছনের পুকুর টার নাম   ডাঙা' লরি পুকুর'।  তার বেশ কিছু টা পিছনে আর একটা সেটা ও ' লরি পুকুর ' 
 মনে প্রশ্ন ' লরি ' কথা টা। কারা 'লরি '। বাস লরি না হয় ; জানি। কিন্তু তা তো নয়। তবে - 
 তারপর মাস্টার মশাই কিরীটীবাবু বললেন। 
 এই লরি বা নুড়ি রা একদিন গালা র কাজ করতেন। তাঁরা ছিলেন ' গালা শিল্পী '। 
 আজ আর কেউ নিজেদের লরি বলে পরিচয় দেয়না। কেন যে দেয়না - কি জানি। 
 তারপর আমার শুরু হল খোঁজ নেওয়া। 
একদিন যে ইলামবাজার ছিল গালা শিল্পের এক প্রধান কেন্দ্র। 
 নানা জায়গায় লিখেছি এখানের গালা শিল্পের কথা। এখানেও লিখেছি। অনেকেই জানেন। 
 শেষ হয়েই গিয়েছিল এই শিল্প। শেষ দুই শিল্পী 
 নেপাল আর গোপাল গুঁই কে প্রশিক্ষক করে 
 নিয়ে গিয়েছিলেন আর কেউ নন - রবীন্দ্রনাথ। 
 শিল্পসদনে শ্রীনিকেতনে। তাঁদের ই বংশধর অজিত গুঁই মশাই। তাঁর কাছে ই কাজ শিখেছেন 
 আমাদের এই ইউসুফ ভাই। যাক বেঁচে আছে 
আমাদের বীরভূমের মাটিতে। 
খুব খুশী হলাম তাঁর কাজ দেখে। আর যাঁরা উদ্যোগ নিয়েছেন এই লুপ্ত শিল্পকে বাঁচানোর জন্য। 
 ধন্যবাদ  বীরভূম আর্টিজানি কে। 
অনেক কথা আছে এই গালা বা লাক্ষা নিয়ে। 
অজয়ের এপার ওপার দুপারের অনেক কথা আছে। অনেক বলেছি। খুঁজছি।আবার বলব। 
এপারে বসুধা থেকে পশ্চিমের জঙ্গল মহল। 
সেনপাহাড়ী র জঙ্গল মহলের নাম ই হয়ে গেছে তখন ' লা - মহল '। বসুধার লরী দের জমজমাট ব্যবসা।  এই বসুধার লরিরাও বানিয়েছিল দু তিনটি শিবমন্দির। আর সেই প্রায় দু শো বছর আগে আমাদের বনকাটি র সেই সময়ের বিখ্যাত লাক্ষা ব্যবসায়ী ধনী জমিদার রামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 
 বানিয়েছিলেন বনকাটির বিখ্যাত গোপালেশ্বর শিব মন্দির। অসামান্য তার টেরাকোটা র অলংকরণ। আর তারপর বনকাটির বিখ্যাত পিতলের রথ। নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা শক্ত তার পিতলের পাতের উপর এনগ্রেভিং 
এর কাজ। অনুপম সে অলংকরণ। যে কোন শিল্পরসিকের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসবে 'আহা'। 
 ©প্রণব ভট্টাচার্যhttps://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2253070371490835&id=100003636821328

Sunday, 3 January 2021

ইলামবাজার। নীলামবাজার। এলেমবাজার

। ।এলেমবাজার। নীলামবাজার। ইলামবাজার।।। 

না। তুলাপট্টিতে কোন নীলামের বাজার আর বসেনা আজ। 
  তুলাপট্টিতে একদিন সুতা ; তুলা ; তসরের থান ; সুতী বস্ত্রের নীলামের বাজার বসত। কত এলেমদার মানুষ দের আনাগোনা। আজ যদি  বলেন যে তুলাপট্টি জায়গাটি কোথায় - ইলামবাজার এর আজকের যে কোন মানুষ চুপ করে থাকবেন। কে আর খোঁজ রাখে। কি হবে সে অতীত কে জেনে।
পুরানো থানার পাশে বিস্তৃত মাঠে সে হাট বসত একদিন।
জেলা গেজেটিয়ারে  ও' ম্যালি বলছেন। ১৯১০ সালে।
গুরুসদয় দত্ত মশাই তখন বীরভূমে র জেলা কালেক্টর।
ইলামবাজারে উদ্বোধন করছেন একটি দাতব্য চিকিৎসা লয়।
সেই মার্বেল ফলকটি কি আজকের গ্রামীন হাসপাতালে র কোন কক্ষে সংরক্ষিত হয়েছে কি না  জানিনা।
আজকের পোষ্ট অফিস গড়ে উঠেছে আরস্কিন সাহেবের কুঠি বাড়ির কিছুটা জায়গা নিয়ে। আর সেই বিরাট চারদিক খোলা বারান্দার ডাকবাংলো। আরস্কিন সাহেবের আউটহাউস।
নিশ্চিহ্ন। সেই উঁচু মোটা ভিতের মোটা থামের খোলা বারান্দার আরামদায়ক বাংলো বাড়ি। যেখানে কেন্দুলীর মেলা দেখতে যাবার পথে একরাত্রি বিশ্রাম নিয়েছিলেন সস্ত্রীক সিলভা লেভী র মতো পণ্ডিত। শান্তিনিকেতন থেকে এসেছিলেন।
সংলগ্ন এলাকার উত্তর দিকে ছিল আরস্কিন পরিবারের সমাধি স্থল। ছোট্ট কিন্তু সুন্দর। প্রত্যেকটি সমাধি। সাদা মার্বেল ফলকে লেখা নাম ; জন্ম সাল ; জন্ম স্থান ; মৃত্যু তারিখ।
কোথায় জন্ম ইংল্যান্ড এর কোন শায়ারে। আর মৃত্যু এই ইলামবাজারে। 
ছোটবেলায় ইলামবাজার হাইস্কুলে পড়তে গেলাম। ক্লাস নাইন থেকে। আমাকে কেউ বলেনি। কেউ দেখায় নি। একদিন খুঁজে পেয়েছিলাম।
কোথায় জন্ম আর কোথায় মৃত্যু!  আমার মন কেমন করত।
মাঝে মাঝে গিয়ে কবরস্থানে বসে থাকতাম।
পাশেই উত্তরে ফরাসী কুঠির একটা ভাঙ্গা দেওয়াল। দেওয়াল টি বেশ উঁচু। নিশ্চিত ভাবেই দোতালা ছিল।
  আজ সব নিশ্চিহ্ন। নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্যই নিশ্চিহ্ন। 
না আমরা রক্ষা করিনি। করার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে ই করিনি। সব ইঁট ; কাঠ ; পাথর ; সাদা মার্বেল ফলক সব ছাড়িয়ে দিনের পর দিন নিয়ে চলে গেছি।
আজকের ইলামবাজারে সেদিনের ইলামবাজার কে খোঁজা মূর্খামি।
  আজ সে এক বিরাট গঞ্জ। মিউনিসিপালিটির মতো বিস্তৃতি।
চারপাশের গ্রাম থেকে অবস্থাপন্ন মানুষেরা এখানে এসে বসতি স্থাপন করেছেন। মূল ইলামবাজার কে আজ খুঁজে পাওয়া দায়।
আমাদের ছোটবেলায় ভূগোল বইয়ে কি কোথায় কিজন্য বিখ্যাত এই পর্বে লেখা থাকত- ইলামবাজার। বীরভূম জেলায়।লাক্ষা বা গালা শিল্পের জন্য বিখ্যাত কেন্দ্র।
এলেমবাজার। বাজারে এলাম গো। যে বাজারের ' এলেম ' মানে দাম আছে। কত সম্ভ্রান্ত মানুষজনের আনাগোনা।
নীলাম বাজার। হাঁকডাকের বিরাট বাজার। হতে পারে নীলাম থেকে ইলামবাজার।
আর ইলম বা ইলাম মানে ই তো লাক্ষা বা গালা। তার বাজার।
  আর আজ একঘর ' নুড়ি ' বা লরি নেই যারা গালার কাজ করেন। সব পদবী বদলে নিয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই পেশাও। 
শেষ দুই ভাই ছিলেন নেপাল আর গোপাল গুঁই।ঘাড় গুঁজে অবসন্ন চিত্তে টুকটাক কাজ করতেন। মলিন বেশ। ম্লান আলো চোখে। 
রবীন্দ্রনাথ এই দুই ভাইকে নিয়ে গিয়েছিলেন প্রশিক্ষক হিসাবে শ্রীনিকেতনের শিল্প সদনে। শেষ চেষ্টা করেছিলেন।( চলবে)

আরস্কিন সাহেবের সিমেট্রি র ছবি সত্যশ্রী উকিল দার কাছ থেকে পেয়েছি। মুকুল দে মশাই এর তোলা। এ ছবি অন্য আর কারোও কাছে বোধহয় নাই।

Saturday, 2 January 2021

ইলামবাজার। গৌরাঙ্গ মন্দির। টেরাকোটার বিস্ময়

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2247066768757862&id=100003636821328অসামান্য টেরাকোটার কাজ 
আর সে জন্যই বিখ্যাত এই মন্দির 
একদিন এই কাজ করেছিলেন আমাদের 
কারিগর সূত্রধর গন 
কি অসাধারণ ছিল তাঁদের শিল্প জ্ঞান 
আমাকে অবাক করে 
ছোট থেকে হাট করব কি 
এই মন্দির টা র দিকে অবাক বিস্ময়ে 
তাকিয়ে থাকতাম 
ইলামবাজার হাটতলার গৌরাঙ্গ মন্দির 
অনেক কথা আছে এই মন্দির নিয়ে 
অনেক আলোচনা হয়েছে 
আবারও হবে 

গত পোষ্টে দেখিয়েছিলাম কি ভাবে ক্ষয়ে 
যাচ্ছে এই মন্দির গাত্র

গাণ্ডাদহ। গাঁড়াদহ। থানা কাঁকসা। প বর্ধমান। ভগ্ন এক বিষ্ণু দালান।

হারিয়ে তো যাবেই। 
 দিন গুনছে। 
আজ হোক আর কাল। 
 রক্ষা কি করা যেতনা 
 যেত বৈ কি 
 কিন্তু কি  হবে একে রক্ষা করে 
 অথচ একদিন ছিল 
 এগুলি ই আমাদের সব গাঁ ঘরের 
 অলংকার 
ঝোঁপ ঝাড় গুলো কে ও পরিষ্কার 
 করে দিতে বড় গা য়ে বাজে 
 তার চেয়ে বরং ওর দেয়ালে ঘুঁটে দিই 
 
 এক প্রবীন বললেন ' কার গরজ '
 গাণ্ডাদহ। এখনকার গাঁড়াদহ গ্রাম
 পানাগড় থেকে ইলামবাজারের দিকে যাচ্ছেন 
 জঙ্গল শুরু হল। ধোবারুর জঙ্গল 
 ' সাত কাটার জঙ্গল ' ও বলে লোকে 
 চোর ডাকাত ঠ্যাঙাড়ে দের উৎপাত তো 
 ছিল সে একসময় 
 তবে সে অনেক দিন আগের কথা 
 আছে যেমন থাকে অনেক গল্পকথা 
 জঙ্গলের গা য়ে গা লাগিয়ে সুন্দর গ্রাম
সম্পন্ন কৃষকেরা আছেন 
হিন্দু মুসলমানের মিলিত বাস 
 সুন্দর এক আদিবাসী পাড়া
 শান্ত নিরিবিলি জীবন 

 সেখানের এক বিষ্ণু দালান 
 শেষ বিকেল  সন্ধ্যা নেমে আসছে 
 না  বাজবে না কোন শাঁখ এর চাতালে